Banglar Yuva Sathi Scheme 2026: বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য মাসে ১৫০০ টাকা! আবেদন শুরু ১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে – জানুন বিস্তারিত

Banglar Yuva Sathi 2026 Application Form Process West Bengal

Table of Contents

Introduction: রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য বড় সুখবর!

পশ্চিমবঙ্গের বেকার সমস্যা এবং যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের কথা মাথায় রেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ২০২৬-এর বাজেটে এক ঐতিহাসিক ঘোষণা করেছে। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বাজেট পেশ করার সময় ‘বাংলার যুব সাথী’ (Banglar Yuva Sathi) নামে একটি নতুন প্রকল্পের সূচনা করেন।

এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী বেকার যুবক-যুবতীরা এখন থেকে প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা করে সরকারি আর্থিক সহায়তা পাবেন। প্রথমে এই প্রকল্পটি ১৫ই আগস্ট থেকে চালু হওয়ার কথা থাকলেও, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছেন যে এটি ১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকেই কার্যকর করা হবে।

আপনি কি এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য? কীভাবে আবেদন করবেন? ফর্ম কোথায় পাবেন এবং ক্যাম্প কবে বসবে? আজকের এই আর্টিকেলে আমরা এই সব প্রশ্নের উত্তর একদম সহজ ভাষায় এবং বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। আপনি যদি একজন চাকরিপ্রার্থী বা বেকার যুবক/যুবতী হন, তবে এই আর্টিকেলটি আপনার জীবন বদলে দিতে পারে।


Banglar Yuva Sathi 2026 Application Form Process West Bengal

Banglar Yuva Sathi Scheme 2026: এক নজরে (Key Highlights)

আপনার সুবিধার্থে প্রকল্পের মূল বিষয়গুলো একটি ছকের মাধ্যমে দেওয়া হলো:

তথ্যের বিষয়বিস্তারিত বিবরণ
প্রকল্পের নামবাংলার যুব সাথী (Banglar Yuva Sathi)
ঘোষণাপশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বাজেট ২০২৬-২৭
সুবিধামাসিক ₹১,৫০০ টাকা (সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে)
উপভোক্তারাজ্যের বেকার যুবক-যুবতী
বয়সসীমা২১ থেকে ৪০ বছর
শিক্ষাগত যোগ্যতান্যূনতম মাধ্যমিক (Madhyamik) পাশ
আবেদন শুরু১৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বিশেষ ক্যাম্প শুরু)
আবেদনের শেষ তারিখ২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (প্রথম পর্যায়)
টাকা দেওয়া শুরু১লা এপ্রিল ২০২৬
আবেদন পদ্ধতিঅফলাইন (সরাসরি ক্যাম্পে গিয়ে ফর্ম জমা)
অফিশিয়াল ওয়েবসাইটশীঘ্রই আসছে (আপাতত অফলাইন)

প্রকল্পের বিস্তারিত সুবিধা (Benefits of the Scheme)

এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো রাজ্যের শিক্ষিত বেকারদের সাময়িক আর্থিক সহায়তা দেওয়া, যাতে তারা চাকরির প্রস্তুতির পাশাপাশি নিজেদের হাতখরচ বা যাতায়াতের খরচ চালাতে পারে। এর প্রধান সুবিধাগুলো নিচে দেওয়া হলো:

১. মাসিক নিশ্চিত ভাতা: যোগ্য প্রার্থীরা প্রতি মাসে সরাসরি তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১,৫০০ টাকা পাবেন। এটি ডিবিটি (DBT) বা ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে দেওয়া হবে।

২. সর্বোচ্চ মেয়াদ: এই সহায়তা সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত অথবা চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত (যেটি আগে হবে) দেওয়া হবে।

৩. মোট আর্থিক প্যাকেজ: ৫ বছরে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৯০,০০০ টাকা (১৫০০ x ৬০ মাস) পর্যন্ত পেতে পারেন, যা একজন বেকার যুবকের জন্য অনেক বড় সাহায্য।

৪. পড়াশোনার খরচ: যারা চাকরির পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপ করতে বা বই কিনতে হিমশিম খান, তাদের জন্য এই টাকাটি আশীর্বাদের মতো কাজ করবে।


Eligibility Criteria: কারা আবেদন করতে পারবেন?

সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে সবাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। আবেদন করার আগে আপনাকে নিচের যোগ্যতাগুলো ভালো করে মিলিয়ে নিতে হবে:

১. বয়সসীমা (Age Limit)

  • আবেদনকারীর বয়স আবেদন করার তারিখে অবশ্যই ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
  • অর্থাৎ যাদের বয়স ২১-এর একদিনও কম বা ৪০-এর একদিনও বেশি, তারা আবেদন করতে পারবেন না।

২. শিক্ষাগত যোগ্যতা (Educational Qualification)

  • আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ বা স্বীকৃত কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক (Madhyamik) বা সমতুল্য পরীক্ষায় পাশ করতে হবে।
  • উচ্চশিক্ষিতরাও (HS, Graduate, PG) আবেদন করতে পারবেন, কিন্তু ন্যূনতম যোগ্যতা মাধ্যমিক পাশ।

৩. কর্মসংস্থান (Employment Status)

  • আবেদনকারীকে সম্পূর্ণ বেকার (Unemployed) হতে হবে।
  • যারা সরকারি বা বেসরকারি কোনো স্থায়ী চাকরিতে আছেন, তারা এই সুবিধা পাবেন না।

৪. অন্যান্য শর্তাবলী (Terms & Conditions)

  • আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
  • ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশেষ নিয়ম: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করেছেন যে, যারা কন্যাশ্রী (Kanyashree), ঐক্যশ্রী (Aikyashree), স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড (Student Credit Card) বা অন্য কোনো স্কলারশিপ পাচ্ছেন, তারা এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। অর্থাৎ স্কলারশিপের সাথে এই ভাতার কোনো বিরোধ নেই।
  • অযোগ্য কারা: যারা ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের অন্য কোনো সরাসরি ভাতা বা সামাজিক সুরক্ষা যোজনা (যেমন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বিধবা ভাতা বা বার্ধক্য ভাতা) পাচ্ছেন, তারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।

Application Process: কীভাবে আবেদন করবেন? (Step-by-Step)

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে সময়ের অভাবে এবং দ্রুত টাকা পৌঁছানোর লক্ষে আপাতত অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে না। আবেদন প্রক্রিয়া হবে সম্পূর্ণ অফলাইন এবং বিশেষ ক্যাম্পের মাধ্যমে

নিচে ধাপে ধাপে আবেদন পদ্ধতি দেওয়া হলো:

ধাপ ১: ক্যাম্পের তারিখ ও স্থান জানুন

  • কবে: আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত।
  • কোথায়: রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে (মোট ২৯৪টি কেন্দ্র) বিশেষ ক্যাম্প বসবে। এছাড়াও আপনার স্থানীয় বিডিও (BDO) অফিস বা এসডিও (SDO) অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।
  • সময়: সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত (ছুটির দিন বাদে)।

ধাপ ২: ফর্ম সংগ্রহ ও পূরণ

  • ক্যাম্পে গিয়ে ‘বাংলার যুব সাথী’-র নির্দিষ্ট আবেদনপত্র বা ফর্ম বিনামূল্যে সংগ্রহ করুন।
  • ফর্মে নিজের নাম, বাবার নাম, ঠিকানা, জন্মতারিখ, আধার নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য নির্ভুলভাবে লিখুন।
  • মনে রাখবেন, ফর্মে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে, তাই কোনো ভুল করবেন না।

ধাপ ৩: নথিপত্র জমা (Documents Submission)

  • পূরণ করা ফর্মের সাথে প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র (ডকুমেন্টস লিস্ট নিচে দেওয়া আছে) পিনআপ করুন।
  • ক্যাম্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাছে ফর্মটি জমা দিন। সেখানে আপনার তথ্য কম্পিউটারে এন্ট্রি করা হবে।

ধাপ ৪: রসিদ সংগ্রহ (Acknowledgement)

  • ফর্ম জমা দেওয়ার পর আপনাকে একটি রসিদ (Acknowledgement Slip) দেওয়া হবে। এটি যত্ন করে রাখবেন, কারণ ভবিষ্যতে আপনার স্ট্যাটাস চেক করতে বা কোনো সমস্যা হলে এটিই একমাত্র প্রমাণ।

Required Documents: কী কী কাগজপত্র লাগবে?

ক্যাম্পে যাওয়ার আগে নিচের অরিজিনাল এবং ফটোকপি (Xerox) সাথে রাখুন। প্রতিটি জেরক্স কপিতে নিজের সই (Self-attested) করতে ভুলবেন না:

১. পরিচয়পত্র: আধার কার্ড (Aadhaar Card) বা ভোটার কার্ড (Voter Card)।

২. বয়সের প্রমাণ: মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড বা জন্ম শংসাপত্র (Birth Certificate)।

৩. শিক্ষাগত যোগ্যতা: মাধ্যমিক পাশের মার্কশিট ও সার্টিফিকেট।

৪. ব্যাঙ্ক ডিটেইলস: ব্যাঙ্ক পাসবুকের প্রথম পাতা (যেখানে নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর ও IFSC কোড পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে)। অ্যাকাউন্টটি অবশ্যই আধার লিঙ্কড (Aadhaar Seeded) হতে হবে।

৫. ছবি: সাম্প্রতিক তোলা ২ কপি রঙিন পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

৬. বেকারত্বের ঘোষণা: ফর্মে হয়তো একটি সেলফ-ডিক্লারেশন (Self-declaration) দিতে হতে পারে যে আপনি বর্তমানে কোনো কাজ করছেন না।

৭. মোবাইল নম্বর: একটি চালু মোবাইল নম্বর যা আপনার ব্যাঙ্ক ও আধারের সাথে যুক্ত।

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ২০২৬ স্ট্যাটাস চেক


কেন এই প্রকল্প এত গুরুত্বপূর্ণ? (Why is it important?)

পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার একটি জ্বলন্ত সমস্যা। এর আগে রাজ্য সরকার ‘যুবশ্রী’ (Yuvasree) প্রকল্পের মাধ্যমে এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্কে নাম নথিভুক্তকারীদের ১৫০০ টাকা দিত। কিন্তু সেখানে নাম তোলা বেশ জটিল এবং সময়সাপেক্ষ ছিল। এছাড়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো মহিলারা টাকা পেলেও, বেকার ছেলেরা এতদিন কোনো সরাসরি সাহায্য পেত না।

‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পটি এই শূন্যস্থান পূরণ করবে।

  • এটি সরাসরি এবং ব্যাপক স্তরে চালু করা হচ্ছে।
  • কোনো এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ কার্ডের প্রয়োজন নেই, সরাসরি ক্যাম্পে আবেদন করা যাচ্ছে।
  • ১লা এপ্রিল থেকে টাকা ঢোকা শুরু হলে এটি রাজ্যের প্রায় ২ কোটি বেকার যুবকের কাছে পয়লা বৈশাখের সেরা উপহার হতে পারে।
  • বিশেষ করে যারা সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের টিউশন ফি বা ইন্টারনেটের খরচের জন্য আর বাড়ির দিকে তাকাতে হবে না।

সতর্কতা ও টিপস (Important Tips for Applicants)

আবেদন করার সময় যাতে কোনো ভুল না হয়, তার জন্য নিচের টিপসগুলো মেনে চলুন:

  • তাড়াহুড়ো করবেন না: ক্যাম্প ১৫ তারিখ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত চলবে। প্রথম দিনেই ভিড় না করে সুবিধামতো সময়ে যান। হাতে যথেষ্ট সময় আছে।
  • ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চেক: আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি ‘Major’ কিনা দেখে নিন। অনেক সময় স্টুডেন্ট লাইফের ‘Minor’ অ্যাকাউন্ট থাকলে টাকা ঢুকতে সমস্যা হয়। প্রয়োজনে ব্যাঙ্কে গিয়ে কেওয়াইসি (KYC) আপডেট করে নিন।
  • দালাল থেকে সাবধান: এই ফর্ম সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সরকারি ক্যাম্পে পাওয়া যাবে। ফর্ম ফিলাপ বা জমা দেওয়ার জন্য কাউকে এক টাকাও দেবেন না। কেউ টাকা চাইলে পুলিশে খবর দিন।
  • মোবাইল নম্বর: ফর্মে এমন মোবাইল নম্বর দিন যেটি চালু আছে। টাকা ঢোকার মেসেজ এবং সরকারি আপডেট এই নম্বরেই আসবে।

যুবশ্রী বনাম যুব সাথী: পার্থক্য কী? (Yuvasree vs Yuva Sathi)

অনেকেই গুলিয়ে ফেলছেন যে যুবশ্রী আর যুব সাথী কি একই? অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়েছেন যে দুটি সম্পূর্ণ আলাদা প্রকল্প

বিষয়যুবশ্রী (Yuvasree)যুব সাথী (Yuva Sathi)
আবেদন পদ্ধতিএমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্কে অনলাইন রেজিস্ট্রেশনসরাসরি ক্যাম্পে অফলাইন আবেদন
নির্বাচন পদ্ধতিসিনিয়রিটি অনুযায়ী ধাপে ধাপেযোগ্যতা থাকলে সরাসরি
টাকার পরিমাণ১৫০০ টাকা১৫০০ টাকা
নতুন আবেদনসব সময় খোলা থাকেনির্দিষ্ট ক্যাম্পে ১৫-২৬ ফেব্রুয়ারি

Note: যারা ইতিমধ্যে যুবশ্রী প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন, তারা সম্ভবত যুব সাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন না, কারণ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একই ধরনের দুটি সুবিধা পেতে পারেন না।


FAQ: সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

Q1. আমি কি অনলাইনে আবেদন করতে পারব?

Ans: না, বর্তমানে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ক্যাম্পে গিয়ে ফিজিক্যালি ফর্ম জমা দিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সময়ের অভাবে অনলাইন পোর্টাল এখনই চালু হচ্ছে না। তবে ভবিষ্যতে অনলাইন পোর্টাল চালু হতে পারে।

Q2. যারা পড়াশোনা করছেন, তারা কি পাবেন?

Ans: হ্যাঁ, মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে যারা স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড বা স্কলারশিপ (যেমন ঐক্যশ্রী/কন্যাশ্রী) পাচ্ছেন, তারাও এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন, যদি তাদের বয়স ২১-এর বেশি হয় এবং তারা বেকার হন।

Q3. লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রাপকরা কি আবেদন করতে পারবেন?

Ans: না। সাধারণত মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পান। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (১০০০/১২০০ টাকা) পাচ্ছেন, তারা আলাদা করে যুব সাথী প্রকল্পের ১৫০০ টাকা পাওয়ার যোগ্য নাও হতে পারেন। তবে এ বিষয়ে ক্যাম্পের অফিসিয়াল নির্দেশিকা দেখে নেওয়া ভালো।

Q4. টাকা কবে থেকে পাওয়া যাবে?

Ans: সরকার ঘোষণা করেছে যে ১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হবে।

Q5. আমার বয়স ৪০ বছর ৬ মাস, আমি কি পারব?

Ans: না, আবেদনের তারিখে আপনার বয়স ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে।


উপসংহার (Conclusion)

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘বাংলার যুব সাথী’ (Banglar Yuva Sathi) প্রকল্প রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য সত্যিই একটি আশার আলো। মাসে ১৫০০ টাকা হয়তো খুব বড় অঙ্ক নয়, কিন্তু একজন বেকারের কাছে এই টাকাটা অনেক বড় ভরসা। এটি দিয়ে আপনি চাকরির ফর্ম ফিলাপ করতে পারবেন, পরীক্ষার সেন্টারে যাওয়ার ভাড়া দিতে পারবেন, কিংবা ছোট কোনো স্কিল কোর্স করতে পারবেন।

আপনি যদি ২১-৪০ বছর বয়সী হন এবং মাধ্যমিক পাশ করে থাকেন, তবে আর দেরি না করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস রেডি করুন। আগামী ১৫ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আপনার নিকটবর্তী ক্যাম্পে গিয়ে আবেদন করুন। সুযোগটি হাতছাড়া করবেন না!

এই তথ্যটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যাতে কেউ এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়।


(Disclaimer: This article is based on the latest budget announcement and news reports as of Feb 2026. Rules are subject to change by the government. Please verify details from official camps.)

🌾 সরকারি প্রকল্পের ক্যালকুলেটর
📈 আরও ইনভেস্টমেন্ট টুলস
💼 ট্যাক্স এবং স্যালারি টুলস
🏦 লোন ও লাভ-ক্ষতির হিসাব
🔥 জনপ্রিয় ক্যালকুলেটর

🧮 নিজের লাভ নিজেই হিসাব করুন!

SIP, লোনের EMI, বা পোস্ট অফিস স্কিম—টাকা জমানোর আগে সঠিক হিসাব জানা জরুরি। আমাদের ৫০+ ফ্রি ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন।

সব ক্যালকুলেটর দেখুন →

⚠️ Disclaimer (দাবি পরিত্যাগ):

Smart Sanchay ব্লগের সমস্ত কন্টেন্ট শুধুমাত্র শিক্ষামূলক এবং তথ্যমূলক উদ্দেশ্যে তৈরি। আমরা কোনো SEBI Registered আর্থিক উপদেষ্টা নই। যেকোনো স্কিম, শেয়ার বাজার বা মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করার আগে অনুগ্রহ করে স্কিমের অফিসিয়াল ডকুমেন্ট পড়ুন এবং একজন সার্টিফাইড ফিন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজারের পরামর্শ নিন। আপনার কোনো আর্থিক লাভ বা ক্ষতির জন্য এই ব্লগ কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *